সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ১১:১০ অপরাহ্ন

দশমিনায় আম ও মাল্টা বাগান পরিদর্শন

সন্জয় কুমার, দশমিনা উপজেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ৩১ মে, ২০২১
  • ৬০ জন নিউজটি পড়েছেন

ভেন্ডি (ঢেঁড়স) চাষে ১৯৯৮ সালে জাতীয় পুরুস্কার প্রাপ্ত পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের দক্ষিন গ্রামের কৃষক সুলতান সরদারের আম ও মাল্টা বাগান ঘূনিঝড় ইয়াসে ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করেন। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় এ পরিদর্শন করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল আমিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু জাফর আহাম্মেদ, উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এ্যাড. ইকবাল মাহামুদ লিটন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা মো.নাঈিদ হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

জাতীয় পুরুস্কার প্রাপ্ত সুলতান সরদার জানান, উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শে নিজের ফেলে রাখা জমিতে ফল বাগান করার ইচ্ছে জাগে। চারা রোপণের আগে জমিতে গর্ত করা শেষে প্রতিটি গর্তে ২০ কেজি গোবর, ২০০ গ্রাম পটাশ, ৪০০ গ্রাম টিএসপি, ২০০ গ্রাম চুন এবং ২০ থেকে ২৫ কেজি মাটি মিশিয়েছেন। ১০ দিন পর গর্তে চারা রোপণ করেছেন। বর্তমানে বারি আম-৩, ৪ ও ৮ জাতের ৩শ’টি ও বারি মাল্টা-১ জাতের ২শ’টি রয়েছে। আর নিবিড় পরিচর্যা করতে হচ্ছে। বর্তমানে তাঁর লাগানো সবগুলোতে ফলন এসেছে। ঘূনিঝড় ইয়াসের পুর্ব থেকেই প্রচন্ড তাপ দাহে গাছের আম ঝড়ে পড়ে পড়তে শুরু হয়। ইয়াসের কারনে আমার প্রায় দুই তিন লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও জানান, বাগানে আম ও মাল্টার পাশাপাশি আপেল কুল, পেয়ারা, লেবু, মিষ্টি কামরাঙা, কলা, কাঁঠাল, খাটো জাতের নারিকেল ও জলপাইসহ বার মাসের সব সবজির আছে। কিন্তু‘ ঘূনিঝড় ইয়াসে যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা আগামী দুই বছর লাগবে কেটে উঠতে।

আমাদের বাউফল ডট কম পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © 2019 amaderbauphal.com
themesba-lates1749691102