শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন

বাউফলে অর্থ সংকটে করোনা রোগীর ওষুধ বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ১১৯ জন নিউজটি পড়েছেন

পটুয়াখালীর বাউফলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোভিড-১৯ আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছেন মো. ইসমাইল হোসেন ব্যাপারী (৫০)।

হাসপাতালে সরবরাহ না থাকায় অর্থ সংকটের কারনে ওষুধ কিনে খেতে পারছেন না তিনি। এতে করে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে। বাড়ছে শ্বাস কষ্ট।

মঙ্গলবার দুপুরে ওই আইসোলেশন ইউনিটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের ভরিপাশা গ্রামের মৃত লেদু ব্যাপারীর ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন ব্যাপারী (৫০) করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হন। প্যারাসিটামল ও এ্যাজিথ্রোমাইসিন গ্রুপের ওষুধের সাথে করোনার অন্যতম প্রধান ওষুধ ফেভিপিরাভি দিয়ে চিকিৎসা চলছে তাঁর। সব ওষুধ হাসপাতাল থেকে দিলেও করোনা রোগীদের শ্বাস কষ্ট নিয়ন্ত্রণে ফেভিপিরা-২০০ এর সরবরাহ নেই হাসপাতালে।

এ ওষুধ অনেক দামী হওয়ায় কিনে খাওয়ার মত সামর্থও নেই তাঁর।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এজাতীয় প্রতি পিছ ওষুধের বাজার মূল্য ২শ’ টাকা। প্রতি বেলায় খেতে হয় ৪টি করে। দিনে তিন বেলায় খেতে হয় ১২টি ওষুধ। ১দিনের ওষুধের মূল্য ২হাজার ৪শ’ টাকা। ১০দিনে প্রয়োজন প্রায় ৩০হাজার টাকার ওষুধ।

মো. ইসমাইল হোসেন স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন,‘ আমি গরীব মানুষ। রিকশা চালিয়ে সংসার চালাইতাম। ওই ওষুধের অনেক দাম। ১পাতা কিনে খাইছিলাম। টাকার অভাবে আর কিনে খেতে পারি না।
ইসমাইল আরও বলেন,‘ সরকারিভাবে ওষুধের জন্য মেম্বারের প্রত্যায়নসহ আবেদন করেও কোন সহযোগিতা পাইনি। ওষুধ না খেতে পারায় কাল থেকে শরিরটা অনেক খারাপ লাগছে।

বিষয়টি বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার (পি.কে) সাহার দৃষ্টি আর্কষন করলে তিনি বলেন,‘ এবিষয়ে আমার জানা নেই। আমি জানলে তাঁর ওষুধের ব্যবস্থা করতাম।
তিনি আরও বলেন,‘ ফেভিপার করোনা আক্রান্ত হওয়ার দশদিনের মধ্যে খাওয়াতে হয়। যেহেতু তাঁর দশদিন পার হয়ে গেছে তাই আর প্রয়োজন নেই। এছাড়া সে এখন সুস্থ্য আছে।

আমাদের বাউফল ডট কম পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © 2019 amaderbauphal.com
themesba-lates1749691102